আরও দেখুন
09.06.2026 11:07 AMগুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ট্রেডাররা স্পষ্টতই 'অপেক্ষা এবং পর্যবেক্ষণের' অবস্থান গ্রহণ করছে। আসন্ন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল চলতি বছর ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশাকে শক্তিশালী বা দুর্বল করতে পারে।
বুধবার মার্কিন ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির হার প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমেরিকায় সামগ্রিকভাবে পণ্য মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার মূল কারণ হলো জ্বালানির উচ্চমূল্য, যা পণ্য ও পরিষেবার মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। এই তথ্যের গুরুত্ব সত্যিই তাৎপর্যপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যে যখন 'শান্তিও না, যুদ্ধও না' এমন এক ভঙ্গুর ভারসাম্য বিরাজ করছে, তখন মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন দিকে তাদের মনোযোগ নিবদ্ধ করেছে। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো গত শুক্রবার মার্কিন নন ফার্ম খাতের নতুন কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি ট্রেডারদের অস্থির প্রতিক্রিয়া।
এই সমান্তরাল পরিস্থিতি আশা জাগাচ্ছে যে আগামীকাল প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনটি ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবেও কাজ করতে পারে। যদি প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাস অনুযায়ী আসে বা ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) আরও বেশি বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়, তাহলে সম্ভবত মার্কিন ডলার সহায়তা পাবে, যা মার্কিন ডলার সূচককে আবার ১০০ পয়েন্টের উপরে ঠেলে দেবে এবং এই লেভেলের উপরে দৃঢ়ভাবে স্থিতিশীল হবে।
স্টক মার্কেটে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, পুনরায় দরপতন শুরু হওয়ার আশা করা যেতে। এর ফলে স্বর্ণ এবং সম্ভবত প্রধান দুই ধরনের তেল, WTI ও ব্রেন্টের ফিউচারসের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে, ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটেও আবার চাহিদা হ্রাসের প্রত্যাশা করা যেতে পারে। বিটকয়েনের দাম 60,000-এর নিচে নেমে যেতে পারে, অন্যদিকে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা লভ্যাংশ বাড়তে পারে।
আমি মনে করি, আগামীকাল প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ট্রেডাররা সতর্ক হতে বাধ্য হবে, যার প্রতিফলন সকল মার্কেটে স্বল্প ট্রেডিং কার্যক্রম এবং অ্যাসেটের মূল্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা মাধ্যমে দেখা যাবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনার কারণে স্বর্ণ চাপের মধ্যে রয়েছে, কারণ এর ফলে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে। যদি এই পরিস্থিতি বাস্তবে রূপ হয়, তবে মূল্য 4290.20-এর লেভেলে থাকা অবস্থায় স্বর্ণ বিক্রি করে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
এই পেয়ারের মূল্য 1.3375-এর লেভেলের নিচে কনসলিডেট করছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে1.3300 এবং 1.3250-এর দিকে নেমে যেতে পারে। মূল্য 1.3360-এর লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা যেতে পারে।
You have already liked this post today
*এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না।

