আরও দেখুন
শুক্রবারের ট্রেডিংয়ে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সামান্য কমলেও সামগ্রিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য দৃঢ়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও তা দৃশ্যত কোনো স্পষ্ট কারণে হচ্ছে না; তবুও এর পেছনে কারণ রয়েছে। এই পেয়ারের সর্বশেষ দরপতন সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন ছিল। এখন আমরা ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের প্রায় ন্যায্য মুভমেন্ট মানে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। GBP/USD পেয়ারের মূল্য বর্তমানে ট্রেন্ডলাইনের কাছাকাছি আছে, ফলে এর প্রতি মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়াই ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট নির্ধারণ করবে। ট্রেন্ডলাইন থেকে এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করলে নতুন করে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপট থেকে সহায়তা ছাড়াই ঘটতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়, তাহলে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি আবারও জটিল আকার ধারণ করেছে, তবে গত দুই মাস ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ থেকে বিরত রয়েছে—কেবল মাঝে মাঝে হামলা পাল্টা হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে এবং আলোচনা চলছে কিন্তু তা থেকে কোনো ফলাফল আসেনি।
শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো লক্ষণীয় ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। কেবল সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়া অতিক্রম করে, ফলে শর্ট পজিশন ওপেন করে গিয়েছিল, যা 1.3319-1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায় । তবে আজ আবারও মার্কেটে অত্যন্ত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ আজ কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যা মূলত কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হলেও এটিই সামগ্রিক প্রবণতায় পরিণত হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পুরোপুরি সমাধান না হলেও সাময়িক যুদ্ধবিরতি বজায় আছে; ফেড কেবল বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে, যা নাও ঘটতে পারে; এবং যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক সংকট আর তেমন তীব্র আকার ধারণ করেনি। আমাদের মতে আপাতত কেবল মার্কিন ডলারের মূল্যের কারেকশনের প্রত্যাশা করা যায়।
সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3456-1.3476 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3631-1.3641, এবং 1.3695। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই; সুতরাং আজ আবারও মার্কেটের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।